‘সময়ের সম্পূর্ণ অপচয়’ মন্তব্য করে ওয়াক-আউট ট্রাম্পের

প্রকাশিত: ১০-০১-২০১৯, সময়: ০৫:৩১ |
Share This

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কার্যক্রম যে ১৯ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে সে বিষয়ে ডেমোক্র্যাট নেতাদের সাথে আলোচনায় বসলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেখান থেকে উঠে বের হয়ে যান।

হাউজ স্পিকার ন্যান্সী পেলোসী এবং সিনেট সংখ্যালঘু দলের নেতা চাক শুমার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং মেক্সিকোর সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ না করার ব্যাপারে আগের অবস্থানে অটল থাকলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আলোচনা থেকে বেড় হয়ে আসেন।

মি. ট্রাম্প এই বৈঠককে তার ভাষায় “সময়ের সম্পূর্ণ অপচয়” বলে আখ্যায়িত করেছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এই প্রথমবারের মত ৮ লাখের মত মানুষ এই সপ্তাহে তাদের বেতন পাবে না।

প্রেসিডেন্ট পরে এক টুইটে ডেমোক্র্যাট দলের বড় নেতাদের উদ্দেশে লেখেন “বাই-বাই”। এদিকে হোয়াইট হাউসের বাইরে এনিয়ে দুপক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করছে। হাউজ স্পিকার ন্যান্সী পেলোসী মি. ট্রাম্পকে বলেছেন বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের বেতন দিতে না পারাটা একই সঙ্গে আরেকটা ক্ষতি। তিনি বলেছেন, “প্রেসিডেন্ট মনে হচ্ছে তাদের প্রতি অসংবেদনশীল হচ্ছেন। তিনি (ট্রাম্প) হয়তবা মনে করছেন তারা তাদের বাবার কাছে অর্থ চাচ্ছেন”।

চাক শুমার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন মিসেস পেলোসী যখন দেয়াল নির্মাণের বিষয়ে অর্থ বরাদ্দে অনুমোদন দিতে রাজি হননি তখনি প্রেসিডেন্ট আলোচনার মাঝখানে উঠে চলে যান। চাক শুমার বলেন, “তিনি (ট্রাম্প) স্পিকার পেলোসীকে জিজ্ঞেস করেন আপনি কি আমার দেয়াল নির্মাণের ব্যাপারে রাজী আছেন? তিনি (পেলোসী)উত্তর দেন না”। “এবং তিনি উঠে দাঁড়ালেন এবং বললেন তাহলে আমাদের আলোচনা করার কিছু নেই এবং তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে গেলেন”।

মঙ্গলবার রাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাট দলের নেতাদের টেলিভিশনে এক ভাষণে সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে সেটা স্পষ্ট হয়।

এই কারণে ২২শে ডিসেম্বর থেকে চলমান যুক্তরাষ্ট্র কেন্দ্রীয় সরকারের কাজকর্ম আংশিক বন্ধ অবস্থা অব্যাহত রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সীমান্ত দেয়াল নির্মাণের বরাদ্দ বাবদ ৫.৭ বিলিয়ন বা ৫৭০ কোটি ডলার পাশ করাতে চান যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং অকার্যকর বলে মনে করছেন ডেমোক্রাটরা।

ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স সাংবাদিকদের বলেছেন, তিনি হতাশ কারণ ডেমোক্র্যাটরা ভালো বিশ্বাসে আলোচনা করতে রাজী ছিল না। আরেকজন রিপাবলিকান নেতা কেভিন ম্যককার্থি বলেছেন তিনি ডেমোক্র্যাট নেতাদের ব্যাবহার অস্বস্তিকর মনে করেছেন। খবর বিবিসি বাংলার

Comments

comments

Leave a comment

ফেসবুকে আমরা

লেখা পাঠান

আপনিও লিখতে পারেন। হতে পারেন আপনার জেলা কিংবা উপজেলার প্রতিনিধি।

সিভি পাঠান


news@digitalbangla24.com

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে