কানাডায় গেলেন ঘর পালানো সৌদি তরুণী

প্রকাশিত: ১৩-০১-২০১৯, সময়: ০৩:৫১ |
Share This

বাড়ি থেকে পালিয়ে ব্যাংককের বিমানবন্দরে আটকে পড়া সৌদি তরুণী রাহাফ মোহাম্মেদ আল-কুনুন (১৮) কানাডায় আশ্রয় পেয়েছেন। এরই মধ্যে কানাডায় পৌঁছেছেন তিনি।

শনিবার (১২ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ খবর দিয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এক বিবৃতিতে কুনুনের তার দেশে পৌঁছানোর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ট্রুডো বলেন, কানাডা সব সময় মানবাধিকার ও নারীদের অধিকার রক্ষায় তাদের পাশে দাঁড়ায়। জাতিসংঘ থেকে আল-কুনুনের পক্ষে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয়ের আবেদন করা হলে আমরা তা গ্রহণ করি।

নারী অধিকার ও মানবাধিকার ইস্যুতে সৌদি আরব ও কানাডার মধ্যে দ্বন্দ্ব বেশ পুরনো। এবার তা আরও সামনে এলো।

এদিকে কানাডার এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)। সংস্থাটির হাইকমিশনার ফিলিপপো গ্রান্ডি বলেন, কিছুদিন ধরে কুনুনের দুর্দশা বিশ্বে সাড়া ফেলেছে। তার সংকট বিশ্বজোড়া শরণার্থীদের দুর্দশার কথাই মনে করিয়ে দেয়।

থাইল্যান্ডের ইমিগ্রেশন পুলিশ জানায়, কোরিয়ান এয়ারলাইনসের একটি প্লেনে কুনুন কানাডায় যান।

৫ জানুয়ারি কুনুন পরিবারের সঙ্গে কুয়েত যাওয়ার পথে ব্যাংককে পালিয়ে যান। এরপর ব্যাংকক বিমানবন্দরে আটক হওয়ার পর তিনি দাবি করেন, তার কাছে অস্ট্রেলিয়ার ভিসা রয়েছে। এখান থেকে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে কানেকটিং ফ্লাইট ধরবেন তিনি।

এক পর্যায়ে থাই অভিবাসন কর্তৃপক্ষ কুনুনকে পরিবারের কাছে ফেরত পাঠাতে বদ্ধপরিকর ছিলো। পরে বিমানবন্দরে একটি হোটেলে নিজেকে ‘আটকে’ রাখেন তিনি।

হোটেল কক্ষে থেকেই টুইটারে নিজের ছবি ও বক্তব্য পোস্ট করেন কুনুন। তাকে ফেরত পাঠালে মেরে ফেলা হবে এমন কথাও বলেন তিনি। এরপরই বিষয়টি নজরে আসে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর)। পরে তাকে সাময়িকভাবে থাইল্যান্ডে থাকার অনুমতি দেয় দেশটি।

তাকে আশ্রয় দেওয়া আগ্রহ প্রকাশ করে অস্ট্রেলিয়া। পরে কানাডও এগিয়ে আসে; থাকার জন্য কানাকেই বেছে নেন এই সৌদি তরুণী।

Comments

comments

Leave a comment

ফেসবুকে আমরা

লেখা পাঠান

আপনিও লিখতে পারেন। হতে পারেন আপনার জেলা কিংবা উপজেলার প্রতিনিধি।

সিভি পাঠান


news@digitalbangla24.com

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে