ক্রোয়েশিয়ার রাজনৈতিক ও ভৌগলিক প্রেক্ষাপট জেনে নিন

প্রকাশিত: ১৫-০৭-২০১৮, সময়: ০৭:১২ |
Share This

সমাপ্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে রাশিয়া বিশ্বকাপ। আজ মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে চলতি আসরের ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়া। ফরাসিরা পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিকভাবে ভালো খেললেও একের পর এক চমক দেখিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ক্রোয়েটরা। সেই সাথে লুকা মদ্রিচদের ছন্দময় ফুটবলের উল্লাসে মেতেছে পুরো ফুটবল জগত।

প্রসঙ্গত, ২০ বছর আগে ১৯৯৮ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে এসেছিল ছোট্ট এই দেশটি। সেইবার ফ্রান্সের কাছেই সেমিফাইনালে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। ফুটবলের জাদুতে বর্তমানে ক্রোয়েশিয়া গোটা বিশ্বের নজর কাড়লেও দেশটির রাজনৈতিক ও ভৌগলিক ইতিহাসটা মোটেও সরল না। মাত্র ৪৫ লাখ জনসংখ্যার এই দেশটি ১৯৯১ স্বাধীনতা পায়।

১৯১৮ সালে দক্ষিণ ইউরোপে সার্বিয়া, মন্টেনিগ্রো, স্লোভানিয়া, মেসিডোনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা মিলে গঠিত হয়েছিল যুগোস্লাভিয়া। যুগোস্লাভিয়া নামের অর্থ দক্ষিণ স্লাভদের দেশ। পূর্ব ইউরোপের বাসিন্দাদের বেশির ভাগই নৃতাত্ত্বিক দিক দিয়ে বৃহত্তর স্লাভ জাতির অংশ। নাৎসি জার্মানি যুগোশ্লাভিয়ার ওপর ১৯৪১ সালে হামলা চালায়। যুগোশ্লাভিয়ার সর্বোচ্চ সামরিক নেতারা জার্মানির কাছে পরাজয় বরণ করেন। যুগোশ্লাভিয়ার রাজা তখন বিদেশে তার সরকার স্থাপন করেন।

যুগোশ্লাভিয়ায় সেই সময় জার্মানির সামরিক দখল কায়েম হয়েছিল। আবার যুগোশ্লাভিয়ার অনেক ভূখন্ড দখল করে নিয়েছিল বুলগেরিয়া, হাঙ্গেরি ও ইতালি। যুদ্ধের পরে মার্শাল টিটোর নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি ঝুঁকে এই দেশটি।
যুগোশ্লাভিয়ায় কমিউনিস্ট পার্টি মার্শাল টিটোর নেতৃত্বে বিদেশী আগ্রাসনকারীদের প্রতিরোধ করে এবং সারাদেশের জনগণকে নিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করার লক্ষ্যে এগোতে থাকে।

Comments

comments

Leave a comment

উপরে