মন্ত্রিসভায় উঠছে কোটা বাতিলের সুপারিশ

প্রকাশিত: ২৬-০৯-২০১৮, সময়: ০৮:৫৮ |
খবর > জাতীয়
Share This

কোটা বাতিলের সুপারিশ আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠছে বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। কোটা পর্যালোচনায় গঠিত কমিটির প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানোর পর সেটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (বিধি) আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (বিধি) আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বলেন, কোটা নিয়ে কমিটির দেওয়া সুপারিশ প্রধানন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আমাদের কাছে এসেছে। মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য আমরা সেটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়ে দিয়েছি। আশা করছি আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে সেটি অনুমোদনের জন্য উঠবে।

এর আগে চলতি বছরের ২ জুলাই কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে প্রধান করে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করে সরকার। প্রাথমিকভাবে ১৫ কার্যাদিবেসর মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হলেও পরবর্তীতে আরও ৯০ কার্যদিবস সময় পায় এ কমিটি। ১৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ওই দিন তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন জমা দেন।

তখন মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেছিলেন, আমাদের ফাইন্ডিংস হলো নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত অর্থাৎ আগে যে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি বলা হতো, সেগুলো নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো কোটা থাকবে না। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদগুলোতে মেধাভিত্তিক নিয়োগ হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক অনুমতি নেওয়া হয়। অনুমোদনের পরে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপিত হবে।

তিনি আরও জানান, সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম মন্ত্রিসভার বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত হবে তার উপর ভিত্তি করেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২১ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ২৪ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি ফ্লাইটে (বিজি-০০১) করে নিউইয়র্কের উদ্দেশে লন্ডনের পথে রওনা হন শেখ হাসিনা। আগামী ১ অক্টোবর সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। শেখ হাসিনার ফেরার পর মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনি ৩০ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, পশ্চাদপদ জেলাগুলোর জন্য কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ কোটা পদ্ধতি সংরক্ষিত চালু আছে। সব মিলিয়ে শতকরা ৫৬ ভাগ কোটা পদ্ধতি রয়েছে।

Comments

comments

Leave a comment

ফেসবুকে আমরা

লেখা পাঠান

আপনিও লিখতে পারেন। হতে পারেন আপনার জেলা কিংবা উপজেলার প্রতিনিধি।

সিভি পাঠান


news@digitalbangla24.com

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে